Saturday, September 19, 2015

আন্তর অভিব্যাক্তিবাদ


আমার চরিত্র eco- friendly হলেও, তোর পুরোনো প্রেমিকা friendly নয়।
 তাই অনেক সময় স্বার্থপর শব্দটা, নামের আগে অনায়াসে জুড়ে যায়।
তোর আর আমার মাঝে মূল পার্থক্যটা কি জানিস? 
আমি পারলাম না বহুরূপী হতে ।।
দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণ পন্থায়, অন্যকে শাস্তি দেওয়াতে আমি বিশ্বাসী নই ।।
তাই আজ’ও কাঁধে নিয়ে বয়ে বেড়াচ্ছি আক্ষেপের ঝুলি, 
আর আয়নাটাও আমার দিকে তাকিয়ে, অবিরাম খিল্লি করে চলেছে ।।
আলমারির মাঝে রাখা তোর পাঞ্জাবির হাতজোরা, 
অনেক শুকনো দিন উড়িয়ে দেয়। জানিস? 
কি আশ্চর্য! তোর আঁকড়ে ধরে থাকা হাথ’দুটো-
কখন যে আলগা হয়ে গেল বুঝলাম না…
বিনা সন্দেহের ফলাফল কি তাহলে এমন’ই হয়? 
হঠাৎ একদিন জানালা দিয়ে গলল ------- তোর অবুঝ স্বীকারোক্তি; 
পড়লাম, নিলিয়ে যেতে চেয়ে, তোর না বলা শব্দগুচ্ছ।।
চাওয়া-পাওয়ার মাপকাঠি দিয়ে মাপার চেষ্টা করলাম, - আমাদের ভালোবাসা। 
আতস কাঁচ দিয়ে কত খুজেছি, আমাদের ভুল ত্রুটি; খুঁজে পাইনি।। 
শুধু নজড় কাড়ল সম্পর্কের বড় ফাটল।
যা ইঁট, চুম্বন, কংক্রীট, শরীর; কোন কিছু দিয়েই মেরামত করা সম্ভব হল না।
জেতে দিলাম তোকে অন্তঃসারশূন্য করে, 
তারপর? ‘রাজার অসুখে’ ভুগেছি অনেকদিন।
কোকেনে ডুব দিয়ে করেছি স্বর্গবাস। 
হঠাৎ একদিন বাস্তবের চৌকাঠে দাঁড়িয়ে শুনতে পেলাম… 
আমার ভালোবাসা এখন অংশীদারি মালিকানার অন্তর্গত”।। 
                                                         
                        Written by Durba
                                          ©দূর্বা